এআইয়ের উত্থানে সেমিকন্ডাক্টরসহ আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ উৎপাদনে টিনের চাহিদা বাড়ছে। চাহিদা বাড়ছে ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদনেও। যদিও আন্তর্জাতিক বাজারে টিনের সরবরাহ সংকট অব্যাহত রয়েছে। সব মিলিয়ে চলতি বছরের বাকি সময়জুড়ে ঊর্ধ্বমুখী থাকবে ব্যবহারিক ধাতুটির বাজারদর। গবেষণা সংস্থা বিএমআই (ফিচ সলিউশনের একটি ইউনিট) সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর দ্য হিন্দু বিজনেস লাইন।
বিএমআইয়ের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫ সালে টিনের গড় দাম হতে পারে টনপ্রতি ৩৩ হাজার ডলার, এর আগে দেয়া পূর্বাভাসে যা ছিল টনে ৩২ হাজার ডলার।
অন্যদিকে বৈশ্বিক আর্থিক পরিষেবা প্রতিষ্ঠান সাকডেন ফাইন্যান্সিয়াল জানিয়েছে, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে টিনের দাম টনপ্রতি ৩২-৩৫ হাজার ডলারের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে।
লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে (এলএমই) টিনের মজুদ ক্রমেই কমছে। এ কারণে সামনের দিনগুলোয় দাম আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল টিন অ্যাসোসিয়েশনের (আইটিএ) বিশ্লেষক টম ল্যাংস্টন। তিনি বলেন, ‘চীনে কনসেনট্রেট সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চাহিদা বেশি থাকায় টিনের দাম বাড়ছে।’
সাকডেন ফাইন্যান্সিয়াল আরো জানায়, মিয়ানমার পুনরায় ধীরে ধীরে সরবরাহ শুরু করেছে। তবে বাজারে পণ্যটি আসছে এখনো কম।
বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম টিন উৎপাদনকারী দেশ মিয়ানমার। দেশটির ওয়া প্রদেশে ২০২৩ সালের আগস্টে খনন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ২০২৫ সালের মার্চে পুনরায় চালুর অনুমোদন পেলেও তা এখনো শুরু হয়নি। ফলে বাজারে সরবরাহ সংকট এখনো কাটেনি। দেশটির মজুদ বৈশ্বিক টিন মজুদের প্রায় ১৫ শতাংশ।